Breaking News
Home / শেষের পাতা / ইউপি চেয়ারম্যান শিমু’র বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ, মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

ইউপি চেয়ারম্যান শিমু’র বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ, মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মোঃ রাসেদুল ইসলাম পটুয়াখালী-প্রতিনিধি: শুক্রবার (৪ই ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আখতারুজ্জামান কোক্কার পক্ষ  লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোঃ জুলহাস মোল্লা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য বলেন, অহেতুক হয়রানী ও মান সম্মানের হানি ঘটানোর জন্য কতিপয় লোকজন অসৎ উদ্দেশ্যে হাসিল করার জন্য ও জনপ্রিয়তা বিনষ্ট করার জন্য টিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যানের উপজেলা  যুবলীগের শিক্ষা প্রশিক্ষন  ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক শিমু  মিরার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়া গ্রেপ্তার দেখিয়াছেন।
টিয়াখালী চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলমের (যুদ্ধকালিন সমায়ে মুক্তিযোদ্ধা শাহআলমের  বয়স ১৩ বছর)  নিকট হইতে চাঁদা দাবি করিয়াছে এবং চাঁদা না দেওয়ায় তাকে মারধর করেছে যা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও সাজানো। মশিউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, তার বাবা সৈয়দ  আখতারুজ্জামান কোক্কা বর্তমান উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি,তার দাদা মরহুম সৈয়দ  আবুল হাসেম বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক এমসিএ। মুক্তিযোদ্ধার বিপক্ষে এমন কাজ কখনো  করতে পারে না।
মাদ্রাসার  শিক্ষক মোঃ সাইফুল্লাহ হাওলাদারের ছেলে হোন্ডা চালক মোঃ মিরাজ হাওলাদের কাছে ১নং চাকামইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির কেরামত হাওলাদার ও তাহার ছেলে হাসিব হাওলাদার  বেশ কিছুদিন যাবৎ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে এবং চাঁদা না দিলে রাস্তায় হোন্ডা চালাতে দেবে না বলে জানায় ।
২৯ই শে নভেম্বর রবিবার বিকাল চারটায় চাঁদার  টাকার দাবিতে  চাকামইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও তার ছেলে দলবল নিয়ে অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া মহড়া দিয়া  মাদ্রাসা শিক্ষক সাইফুল্লাহর ঘর ভাঙচুর করে এবং মিরাজকে খুঁজতে থাকে।
মিরাজকে তারিকাটা বাজারে  দেখিতে পাইলে মিরাজের প্লাটিনা হুন্ডা ভাংচুর করিয়া অবৈধ ঘোষণা করা বিসমিল্লাহ ব্রিকফিল্ডে নিয়ে যায় ছোট একটি অফিস কক্ষে মিরাজকে অবরুদ্ধ করে ইট, রড ছেনা  দ্বারা কুপিয়ে-পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে এবং উক্ত কাজে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম প্রকাশে সহযোগিতা করে।
কারন তাদের দাবি  বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম চাকামইয়া  চেয়ারম্যানের সাজানো পুতুল।
পরে স্থানীয়রা মিরাজকে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাৎক্ষণিক শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করে। এই  ঘটনায় মিরাজের বাবা চাকামইয়া চেয়ারম্যানকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী দ্রুত  বিচার আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মিরাজের ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য চাকমইয়া  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তার বাহিনীর লোকজন নিজেরাই মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম কে মারধর করে শিমু মিরাকে জড়িত করে মিথ্যা মামলা আনয়ন করেন।
তাদের দাবি সৈয়দ মশিউর রহমান শিমু কোনোভাবেই জড়িত নয় কারন একজন চেয়ারম্যান নিজে কখনো উপস্থিত থেকে  একজন মুক্তিযোদ্ধা কে মারধর করতে পারে না।
পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে  অবৈধ ঘোষণা করা বিসমিল্লাহ ব্রিকস এর মালিক মতিউর রহমান,   যেখানে মালিক মতিউর রহমান সেখানে মুক্তিযোদ্ধা শাহআলমের কাছে কোন ভাবেই চাঁদা দাবি করতে পারে না। ১ই ডিসেম্বর চেয়ারম্যান শিমু কে নিয়ে যে মানব বন্ধন করা হয়েছে তাহার মূল উদ্দেশ্যে ছিলো উপজেলা নির্বাচনের প্রতিহিংসা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বীতা। চেয়ারম্যান শিমু মিরা  জনগনের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন, তিনি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ইউনিয়ন পরিষদের  যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। আজও পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের ত্রাণ সামগ্রী বিতরন  করে বিতর্কের সম্মুখীন হননি।

বিশ্বব্যাপী মহামারী করোনা ভাইরাস সময়কালে নিজস্ব অর্থায়নে  এলাকার সকল পেশার জনগণকে প্রায় ১৪০০ পরিবারের মধ্যে  নগদ অর্থ ও খাবার পৌঁছে দিয়েছেন ইউনিয়ন বাসী তার পাশে আছে, তিনি গ্রেফতার হওয়ার পর এ এলাকার হাজার হাজার জনগণ তার মুক্তির দাবিতে রাস্তায় বিক্ষোভ মিছিল করে । তার এই জনপ্রিয়তা ও দক্ষতাকে জরাজীর্ণ করার জন্য ভদ্রতার আরালে কিছু মুখোশধারী কুচক্রী মহল তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে। প্রশাসন ও সাংবাদিকদের কাছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারসহ নিঃশর্ত মুক্তির  দাবি জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ সিকদার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ আখতারুজ্জামান কোক্কা, টিয়াখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ডাঃ হাবিবুর রহমান ,সাধারণ সম্পাদক গাজী,  কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফায়জুল ইসলাম আশিক তালুকদার, শহর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রকি, ইউপি সদস্য মোঃ ইব্রাহিম মিয়া, ইসমাইল হাওলাদার, আলআমিন মৃধা, সৈয়দ মোফাজ্জেল হোসেন, আব্দুল সোবাহান বিশ্বাস, মর্জিনা বেগমসহ প্রমুখ।

About admin

Check Also

নোয়াখালীর সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কিরের খুনীদের হত্যার বিচারের দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন

জেলা প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মোজাক্কিরের খুনীদের দ্রুত চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *