Breaking News
Home / প্রথম পাতা / চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার প্রায় ৬৫-৭০ শতাংশ জনগণ মাস্ক ব্যবহারে এখনো অসচেতন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার প্রায় ৬৫-৭০ শতাংশ জনগণ মাস্ক ব্যবহারে এখনো অসচেতন

হামিদ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ  প্রশাসনের নানারকম উদ্যোগের ফলেও এলাকার সিংহভাগ জনগণ মাস্ক ব্যবহার করতে আগ্রহী নন। যেখানে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর ২য় পর্যায়ের প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির তালিকা লম্বা হতেই চলেছে। সেখানে বিভিন্ন চায়ের স্টল, মুদি খানা সহ বিভিন্ন রকম দোকান বা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও মাস্ক ছাড়া দেদারসে ব্যবসা বা সেবা দেওয়া হচ্ছে। এ জেলায় এখনো অনেক ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। আক্রান্তের সংখ্যা ৮০০ অতিক্রম করে ৯০০ এর ঘরের কাছাকাছি, এর মধ্যে অনেকেই সুস্থ্যতা লাভ করেছেন । অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করলেও যথাযথভাবে ব্যবহার করছেন না, তারা লোকদেখানো মাস্ক পরিধান করছেন, যার দরুন তাদের আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে।

ব্যতিক্রম শুধু সরকারি প্রতিষ্ঠানসহ ব্যাংক, পৌরসভা, আদালত, ইউনিয়ন পরিষদ বা গুটি কয়েক সচেতন ব্যক্তিক প্রতিষ্ঠান, যেখানে মাস্ক ছাড়া কোন রকম ক্রয়-বিক্রয় বা সেবা পাওয়া যাচ্ছে না, প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। যদিও সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রায় প্রতিষ্ঠান মাস্কবিহীন ক্রয়-ব্রিকয় বা সেবা বন্ধ বা প্রবেশ নিষেধ লিখা ব্যানার, ষ্টিকার, প্রদর্শন করছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে মাস্কবিহীন ব্যক্তিকে জরিমানা আদায়ের মাধ্যমে তাকে সহ অন্যদের সচেতনতার ব্যবস্থা সহ নিয়মিত প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। শহরের চাইতে শহরের আশেপাশের এলাকায় মাস্ক ব্যবহারের সংখ্যা অতিনগণ্য।

দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে স্থানীয় বাসিন্দাসহ জেলাবাসীকে এই ভাইরাসের সময়ে সর্বোচ্চ সচেতন হতে হবে, তা নহলে দেশের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলবে। সবাইকে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে অবস্থান না করা বা প্রয়োজনে মাস্কসহ পর্যাপ্ত নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বাইরের প্রয়োজনে বের হওয়ার মাধ্যমে এই ভাইরাস থেকে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা কমানো যাবে।

About admin

Check Also

রূপগঞ্জে অজ্ঞাত পোড়া লাশের পা উদ্ধার

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক ভয়ঙ্কর ও ভীবৎস ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা আগুনে পুড়িয়ে ফেলেছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *