Breaking News
Home / উপ-সম্পাদকীয় / নেত্রকোনা শহরকে ডিজিটাল রূপে রূপান্তরিত করতে সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত করা হয়েছে

নেত্রকোনা শহরকে ডিজিটাল রূপে রূপান্তরিত করতে সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত করা হয়েছে

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিনঃ নেত্রকোনা পুলিশ প্রশাসন জেলা শহরকে অপরাধমুক্ত রাখতে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রযুক্তির নজরদারী সিসি (ক্লোজ সাকির্ট) ক্যামেরার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে। নেত্রকোনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সীl তিনি জানান, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দীপ্ত অঙ্গীকার করেছেন। তারই আলোকে জঙ্গী, সন্ত্রাসী হামলা, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও হত্যার মতো অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং যানবাহন চলাচলের ত্রুটি ধরতে এই সি সি ক্যামেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরো বলেন, আমরা স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকজনকে উদ্ধুদ্ধকরণের মাধ্যমে একটি তহবিল গঠনের চেষ্টা করতেছি। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে, সেই তহবিল থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যায় করে নেত্রকোনা জেলা শহরে অবস্থিত সকল সরকারী বেসরকারী স্থাপনা, প্রধান প্রধান কার্যালয় সড়ক, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও ধর্মীয় উপাসনাগুলোকে সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসা। জেলা শহরকে নিরাপদ করার জন্য এবং উন্নত দেশের মত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি চালু করতে পুরো শহরকেই ক্লোজ সাকির্ট ক্যামেরার আওতায় আনতে হবে। জেলা শহর জুড়ে যতবেশী সম্ভব সুপরিকল্পিত ও সঠিকভাবে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে, ততবেশী এই শহর নিরাপদ হবে। প্রাথমিক অবস্থায় ৭৪টি সি সি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। আগামীকাল রবিবার থেকে জেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড় গুলোতে ৪০টি সি সি ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে ক্যামেরা বসানোর কাজ শেষ হবে। এরপর ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম চালুর মাধ্যমে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে তা মনিটর করা হবে বলে জানান। তিনি সামর্থবান ব্যাক্তিদেরকে নিজ নিজ উদ্যোগে বাসা-বাড়ী ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সি সি ক্যামেরা লাগানোর জন্য আহবান জানান। তিনি আরো বলেন, দিন দিনই জেলা শহরে লোক সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন নতুন বাসা বাড়ী নির্মাণের পাশাপাশি অনেক এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে বস্তি গড়ে উঠছে। জেলা শহরের অলি-গলি পাড়া মহল্লায় কোথাও কিছু ঘটলে তা বের করতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়। তাই পর্যায়ক্রমে প্রতিটি এলাকা সব সময়ের জন্য প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা হবে। এতে একদিকে সাধারণ মানুষ স্বস্থি ও নিরাপদে থাকবে অপরদিকে অপরাধীরা সর্বদা আতঙ্কে ভূগবে। তিনি নেত্রকোনা জেলা শহরকে নিরাপদ ও ডিজিটাল শহর গড়ে তুলতে রাজনৈতিক দল, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের জনগনের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

About admin

Check Also

ঝিনাইদহে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার ধোপাবিলা গ্রামে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *