Breaking News
Home / উপ-সম্পাদকীয় / স্ত্রী রেখে স্বামী পরকীয়ায় ব্যস্ত

স্ত্রী রেখে স্বামী পরকীয়ায় ব্যস্ত

মো: জাকির লস্কর: মুন্সীগঞ্জ শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়া ইউনিয়নের বৈচার পাড় গ্রামে এক সুন্দরী গৃহবধুকে রেখে তার পাষন্ড স্বামী খোরশেদ আলম পরকীয়ায় ব্যস্ত হয়ে উঠার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পাষন্ড স্বামী খোরশেদ আলমের পরকীয়ায় স্ত্রী বাধায় দেয়ায় স্ত্রীকে নানা ভাবো নির্যাতন করে আসছে।
ভুক্তভোগী স্ত্রী রোকসানা আক্তার রক্সি অভিযোগ করে বলেন, বেকার অবস্থায় থাকা কালীন গত ২০০২ সালে ইউনিয়নের বৈচার পাড় গ্রামের ইছাহাক মোল্লার ছেলে খোরশেদ আলমের সাথে রোকসানার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় রক্সির পারিবারিক অবস্থা ভাল থাকায় খোরশেদকে ব্যবসা করার জন্য প্রায় ৫ লক্ষ টাকা সহ ঘরের সমস্ত আসবাব পত্র দেওয়া হয়। নগদ টাকা পেয়ে স্বামী খোরশেদ ব্যবসা না করে কারনে অকারনে টাকা গুলো নষ্ট করে ফেলে। ইতি মধ্যে তাদের দাম্পত্য জীবনে একটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। বেকার জীবন যাপন করতে থাকলে রোকসানার পিতা ও ভাইয়েরা ৪ লক্ষ টাকা খরচ করে সৌদি আরবে পাঠায়। সৌদি আরবে যাওয়ার পর দীর্ঘ ৫ বৎসর খোরশেদ স্ত্রী সন্তানের কোন খোঁজ খরব নেয়নি এবং উপার্জিত কোন টাকা পয়সাও বাড়ীতে পাঠায়নি। তখন ভুক্তভোগী লোক মারফত জানতে পারে খোরশেদ তার উপাজিত টাকা বাড়ীতে না পাঠিয়ে অন্য কোথায় যেন খরচ করে। ৫ বৎসর পর পর স্বামী দেশে এসে তার স্ত্রীকে নিয়ে আর সংসার করবে না জানাইলে এই নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিশ মীমাংসা করে স্ত্রীকে সে বাড়ী নিয়ে যায়। পূনরায় ২১ দিন বাড়ীতে থাকার পর স্বামী আবার বিদেশে চলে গিয়ে আর তার স্ত্রী সন্তানের খোজ খবর নেয়নি এবং সাংসারিক খরচ বাবত দুই এক মাস পরপর ২ হাজার ৩ হাজার করে টাকা পাঠাতো। গত ২ মাস পূর্বে স্বামী খোরশেদ সৌদি থেকে দেশে এসে ঢাকায় কিছুদিন অবস্থান নিয়ে গ্রামের বাড়ীতে আসে। ভুক্তভোগী তার সন্তান নিয়ে পিত্রালয়ে অবস্থান করাকালে স্বামী খোরশেদ গ্রামের বাড়ীতে এসে তাদের কোন খোজ না নেওয়ায় পারিবারিকভাবে শালিশ বৈঠক হয়। শালিশে স্বামী খোরশেদ আলম বলে রোকসানার আমার বাড়ীতে যেতে হলে তাকে ৩০ভরি স্বর্নালংকার ও ৭ শতাংশ সম্পত্তি আমার নামে লিখে দিতে হবে। আর যদি না দেয় তাহলে আমি রোসানাকে ছেড়ে দিয়ে অন্যত্র বিয়ে করবো। স্বামী খোরশেদ ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোনে পরকীয়া কয়েকটি মেয়ের ছবি পাঠিয়ে বলে তুই যদি স্বর্ন ও সম্পতি না দিয়ে আসলে আমি এখান থেকে যেকোন একটি মেয়েকে বিয়ে করে ঘর সংসার করবো। গত কয়েকদিন পূর্বে খোরশেদ তার স্ত্রীর পিত্রালয়ে এসে জোর করে তার ছেলে সামিরকেসহ ঘরে থাকা ফার্নিচার গুলো নিয়ে যায়। স্থানীয় মনিরুল ইসলাম জানায়, খোরশেদ ভাই দীর্ঘদিন যাবৎ সৌদি আরবে থাকতেন। কিন্তু তার স্ত্রী সন্তানের খোজ খরব নিতেন না। তার আয় করা টাকা বাহিরে নষ্ট করে ফেলে।
এব্যাপারে ভুক্তভোগীর স্বামী খোরশেদ আলম এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার স্ত্রী কাছে যে রেকর্ড ও ছবি ভিডিও পাঠিয়েছি তা সত্য। বিয়ের আগে থেকেই তাকে আমার পছন্দ হয়নি।

About admin

Check Also

ঝিনাইদহে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ ঝিনাইদহে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলার ধোপাবিলা গ্রামে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *