Breaking News
Home / উপ-সম্পাদকীয় / ঝিনাইদহে সওজের ২২ কোটি টাকার কাজে শুভংকরের ফাঁকি!

ঝিনাইদহে সওজের ২২ কোটি টাকার কাজে শুভংকরের ফাঁকি!

ঝিনাইদহে খানা খন্দেভরা ১১ কিলোমিটার রাস্তা মেরামতের কাজে ঠিকাদার আবেদ মনসুর কনষ্ট্রাশনের বিরুদ্ধে অনিয়ম

স্টাফ রিপোর্টার:
ঝিনাইদহে খানা খন্দেভরা ১১ কিলোমিটার রাস্তা মেরামতের কাজে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আবেদ মনসুর কনষ্ট্রাশনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ঝিনাইদহ সওজ বিভাগ থেকে বার বার সতর্ক করা হলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কোন আদেশ নির্দেশনা মানছেন না। অভিযোগ উঠেছে, সিডিউলে যে পরিমান মালামাল সরবরাহের কথা রয়েছে সে মোতাবেক ব্যবহার করা হচ্ছে না। বালির পরিবর্তে বেলে মাটি, পাথরের পরিবর্তে নিম্মমানের পুরাতন ইট ভেঙ্গে খোয়া হিসাবে রাস্তার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। গুরত্বপূর্ন এই সড়কের প্রতি কিলোমিটার মেরামত ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি টাকা। কিন্তু যে নিম্মমানের মালামাল সরবরাহ করা হচ্ছে তা অল্প দিনেই আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারে এমন ধারনা করছেন পথচারীরা। জানা গেছে, ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগ শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসষ্ট্যান্ড থেকে আলাহেরা স্কুল ও বাইপাস থেকে বাস টার্মিনাল পর্যন্ত ২টি সড়কের ১১ কিলোমিটারের রাস্তার মেরামতের জন্য ২২ কোটি টাকার টেন্ডার আহবান করে। কাজটি পান মেসার্স আবেদ মনসুর কনষ্ট্রাশন নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। গত দুই সপ্তাহ ধরে শুরু হওয়া এই কাজে বেশি পরশিান বালি দেওয়া হচ্ছে। পাথরের পরিবর্তে নিম্মমানের পুরাতন ইট ভেঙ্গে রাস্তার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। দ্রুত গতিতে কাজ এগিয়ে গেলেও সড়ক বিভাগের দায়িত্বশীল কেও কাজের সময় উপস্থিত থাকছেন না। ফলে যাচ্ছেতাই ভাবে রাস্তা নির্মান করা হচ্ছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সালাউদ্দিনের দাবি অফিসের নির্দেশ মোতাবেক করা হচ্ছে এবং কাজের মান ভালো। নিম্মমানের রাস্তা মেরামতের ব্যাপারে পাগলাকানাই এলাকার বাসিন্দা ও জেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সড়কের যে কাজ হচ্ছে তা অত্যন্ত নিম্মমানের। এত নি¤œমানের কাজ জীবনে কখনো দেখেনি। এলাকার বাসিন্দা রিজু জানান, যে ভাবে কাজ হচ্ছে তা বেশিদিন ঠিকসই হবে না। সরকারের টাকা গুলো পুরোপুরি গাচ্ছা যাবে। বিষয়টি নিয়ে এসও আহসানুল কবীর বলেন, রাস্তার কাজে তেমন একটা অনিয়ম হচ্ছে না। তারপরও যদি ল্যাব টেস্টে খারাপ রেজাল্ট আসে তবে বিল পাবে না। নুতন করে কাজ করে দিতে হবে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দার বলেন, প্রথম দিকে খোয়ার সাথে বালির মিশ্রন হচ্ছিল না। তাদেরকে বারবার বলেছি। কিন্তু কোন কর্নপাত করেনি। পরে তাদের চিঠি দিয়েছি।

About admin

Check Also

ইউজিসি পোষ্ট ডক্টোরাল ফেলোশিপ এর জন্য মনোনীত হয়েছেন অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাস

মাসুম বিল্লাহ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ধ্যাপক মিলটন সহ ১০ জন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের(ইউজিসি) পোস্ট …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *