Breaking News
Home / সম্পাদকীয় / পর্ণোগ্রাফির ছোবলে উঠতি বয়সের তরুন -তরুনীরা

পর্ণোগ্রাফির ছোবলে উঠতি বয়সের তরুন -তরুনীরা

 তথ্য প্রযুিক্তর ক্ষেত্রে এক বিস্ময়কর আবিস্কার ইন্টারনেট। তথ্য প্রযু্ক্তির উন্নয়ন ও প্রসারের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্ব পূর্ন মাধ্যম।প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে ইন্টারনেট এর ব্যবহার। স্যাটেলাইট প্রযুক্তির কল্যানে কিছু উঠতি বয়সের তরুন-তরুনীরা শিক্ষনীয় বিষয়ের উপর গুরুত্ব কম দিয়ে বেশির ভাগ অশ্লীন ছবির সহজলভ্য তাকেই বেছে নিচ্ছে বলে উপজেলার সচেতন অভিভাবকদের নিকট থেকে অভিযোগ উঠেছে। সাধারনত ১০/১৫ বছরের উঠতি বয়সের তরুন-তরুনী ও ইস্কুলগামী শিক্ষাথীরা পর্ণোগ্রফির ছোবলে পরে অন্ধকারে পতিত হচ্ছে তাদের সুন্দর জীবন। অনেকেই বিপদগামী হয়ে পরছে। বয়স কম হওয়ার কারনে অনেকে আবেগপ্লুত হয়ে বিভিন্ন ধরনের মাদক দ্রব্য সেবন সহ সমাজে ঘটাচ্ছে নানা ধরনের অপকর্মেের ঘটনা। এনিয়ে সচেতন অভিবাবকেরা তাদের সন্তানদের নিয়ে থাকছেন সারাক্ষন দূশ্চীন্তায়। অনেক অবিভাবক দুখ:প্রকাশ করে বলেন, এখন আগের মত আরছেলেমেয়েদেরফুটবল,ক্রীকেট, ব্টমিন্টন, হ্যান্ডবল, সহ বিভিন্ন ধরনের খেলা-ধুলা করেত দেখাযায়না অনেকেই সারাক্ষন মোবাইল, ল্যাপটপ, পিসি, টেবলেট ব্যবহার করে থাকে। তারা খেলার মাঠ,নিজন স্হান কিংবা বিল্ডিং এর ছাদে বসে উপভোগ করে থাকে যৌন উত্তোজক ভিডিও।অনেকে ইন্টারনেটে গ্রাম অঞ্চলের বিভিন্ন তরুন-তরুনীদের অশ্লীল ছবি ছেরে নিজেকে হিরো প্রমান করতে চান। আসলে তারা নিজেরা জানেনা তারা হিরো নয় পশুর সমতুল্য। এধরনের পশু সমুতুল্য ব্যক্তিদের কাড়নে সমাজ ও পারিবারিক জীবনে সৃস্টি হচ্ছে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অপরাধ কর্মকান্ড। তাই,অতিসত্তর পর্ণো সাইটটি বন্ধ করে দেওয়া হলে হয়তো সমাজে উঠতি বয়সের তরুন-তরুনী ও স্কুল গামী শিক্ষার্থীদের অপরাধ মাত্রা অনেক আংশে কমে আসত বলে মনে করেন উপজেলার প্রতিটি এলাকার সচেতন অভিবাবক।এছারা প্র তিটি অভিবাবকের সন্তানদের গুরুত্ব সহকারে তদারকি করতে হবে যাতে করে উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েরা পণোগ্রাফির ছোবলে আসক্ত হয়ে না পরে। এব্যপারে অতিসত্বর তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্র নালয়কে পণোগ্রাফি সাইটটি বন্ধের জন্য সু-ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য আহবান উপজেলার সচেতন অবিভাবকদের।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *