Breaking News
Home / উপ-সম্পাদকীয় / ঝিনাইদহে বে-পরোয়া জবরদখলকারী সিন্ডিকেট !

ঝিনাইদহে বে-পরোয়া জবরদখলকারী সিন্ডিকেট !

ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ ঝিনাইদহে বে-পরোয়া হয়ে উঠেছে জবর দখলকারীরা। অন্যের জায়গা জোর করে দখল করার জন্য মরিয়া তারা। এই অভিযোগে ভূক্তভোগীরা কয়েকটি মামলা দায়ের করেছেন আদালতে। মামলা নং-ঝিঃ পিঃ নং- ১৯২/২০১৯, ১৭৩/২০১৯ এবং ১৯১/২০১৯। এলাকাবাসী ও মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবি দিপু কুমার বিশ্বাস জানান, ঝিনাইদহ থানার ১৮৬ নং রুপদাহ মৌজার, আর এস-১১,১২ নং খতিয়ানের ২২৯৮,২২৯৭ এবং ২৩৯৯ দাগের ২৬ শতক জমির মালিক সদর উপজেলার মান্দারতলা গ্রামের মৃত. আকবর হোসেন মোল্লার পাঁচ ছেলে আমিরুল ইসলাম, মনিরুল, জামিরুল, জাহাঙ্গীর, হুমায়ুন কবির ও একই গ্রামের ইসরাইল হোসেন ২০১৮ সালের ০৯ সেপ্টেম্বর ৮৩৯৫ নং দলিলের মাধ্যমে জনৈক আয়ুব হোসেনের কাছ থেকে ঐ জমি কিনে বাড়ি ঘর নির্মাণ ও গাছপালা লাগিয়ে ভোগ দখল করে আসছেন। শুক্রবার সকালে জমির মালিকরা ঐ জমিতে মাটি ভরাট কাজে ব্যাস্ত ছিলেন। এ সময় একই গ্রামের জবর দখলকারী কুদ্দুস মোল্লা, পাতা মোল্লা, জাহিদুল মোল্লা, শহিদুল মোল্লা সহ মোট ৯ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সহ জমিতে থাকা গাছ পালা জোর পুর্বক কেটে সাবাড় করে। জমির মালিকরা বাধা দিলে জবর দখলকারীরা খুন জখম করার হুমকি ও ভয় দেখায়। তারা প্রকৃত মালিকদের বেদখল করার চেষ্টা করে। সূত্র আরো জানায়, জবর দখলকারীদের ভয়ে জমির একজন মালিক আমিরুল হার্ট এ্যাটাক করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। অন্যরা বাড়ি ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অপর দিকে রুপদাহ গ্রামের বৃদ্ধ চতুর আলীর রুপদাহ মৌজায় ১৯২ নং আর এস খতিয়ান ভূক্ত ১৬১৭ নং দাগের ২৪ শতক জমি রুপদাহ গ্রামের আবু বক্কর, আতিয়ার, আজিবার, জাফর সহ আট জন জবর দখলকারী জোর করে দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এব্যাপারে চতুর আলীকেও তারা খুন জখম করার হুমকী দিয়েছে। এসব ঘটনায় ভূক্তভোগীরা ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফোজদারী কার্য বিধির ১৪৪ ও ১০৭ ধারায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলা আমলে নিয়ে বিবাদীদের প্রতি কারন দর্শানোর আদেশ ও নালিশী জমিতে স্থিতিবস্থা ও এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ঝিনাইদহ সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

About admin

Check Also

মোনালিসার মোহমায়া 

সৈয়দ মুন্তাছির রিমন: তোমি  ? তুমি কি সেই ছবি ? যা  শুধু পটে আকাঁ এক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *